"অন্যায়কে অন্যায় বলতে না পারলে মুসলমান হওয়ার দরকার নেই।"
হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর জালালি প্রেরণায় উজ্জীবিত ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান আজহারী। তাঁর জন্ম ১৯৯২ সালের ১৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের বায়েজিদে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।
তিনি আল্লামা সৈয়দ আছিয়র রহমান আল-কাদরী (সাবেক অধ্যক্ষ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পদকপ্রাপ্ত) এবং মরহুমা সৈyদা জাহানারা বেগমের জ্যেষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক ঐতিহ্য, আলেমদের সাহচর্য এবং উন্নত শিক্ষা তাঁকে ছোটবেলা থেকেই জনকল্যাণমুখী করে তুলেছে।
শাহ হাবিবুল্লাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলগাঁও
জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা (২০০৭ ও ২০০৯)
GPA 5.00আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, মিশর (২০১৫)
বিভাগ: শরীয়াহ ও আইন (৮০% নম্বর)
ইউনিভার্সিটি অফ মালায়া, মালয়েশিয়া
গবেষণার বিষয়: ইসলামী আইনে বাল্যবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭
লিবিয়া যুদ্ধের সময় মিশর-লিবিয়া সীমান্তে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে সহায়তা করেন।
মিশরে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সম্মাননা প্রাপ্ত
করোনা মহামারীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাশের গোসল, কাফন ও দাফনে সরাসরি অংশগ্রহণ। অক্সিজেন ও ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা।
সিলেট ও কুড়িগ্রামের ভয়াবহ বন্যা (২০২২), বিএম ডিপো অগ্নিকাণ্ড (২০২২), বঙ্গবাজার অগ্নিকাণ্ড (২০২৩) এবং ফেনি-ফটিকছড়ি বন্যায় (২০২৪) ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশ সচেতনতা তৈরি।
তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমিকদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ।
রিকশা বিতরণ ও আত্মনির্ভরশীলতা তৈরিতে সহায়তা।
বিনামূল্যে সুন্নতে খৎনা ও চিকিৎসা সেবা প্রদান।
২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের মাধ্যমে হাজারো তরুণকে দ্বীনি শিক্ষা ও সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করছেন।
২০১৩-১৪ সালে ৮৪% ভোট পেয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পদে নির্বাচিত হন।
২০১২-১৩ সালে মিশরে বাংলাদেশি ছাত্রদের কল্যাণে কাজ করেছেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। রিমান্ডের হুমকি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের পক্ষে রাজপথে অবস্থান।
ফ্রান্স ও ভারতে মহানবী (সা.)-এর অবমাননার বিরুদ্ধে ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব প্রদান।
ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরি এবং কোকা-কোলার মতো ইসরায়েল সমর্থক পণ্য বর্জনের ডাক।
পাঠ্যপুস্তকে ইসলাম বিরোধী ও অনৈতিক বিষয়বস্তুর বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থান ও জনমত গঠন।
অসাধু সিন্ডিকেট, দুর্নীতিবাজ এবং অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার প্রতিবাদ।
ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনতার পক্ষে অবস্থান।
"সৈয়দ হাসান আজহারী একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে বদ্ধপরিকর। শিক্ষা, সমাজসেবা ও সক্রিয় আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি আজ লাখো তরুণের অনুপ্রেরণা। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি এক উজ্জ্বল বাতিঘর।"